রমজানের
ঐ রোজার শেষে এল খুশির ঈদ’ গানটি নিশ্চয়ই সবার জানা? রোজা শুরু হয়ে গেছে।
এক মাস পরেই ঈদ। কিন্তু ঈদের কেনাকাটা শুরু হয়ে গেছে এখন থেকেই। সারা ঢাকা
শহর ঘুরে দেখা যাবে ঈদের কেনাকাটায় মুখর রাজধানী বাসী। তবে ঈদের কেনাকাটার
সময়ে যে কয়েকটি বিষয় অবশ্যই মনে রাখবেন।
১. রোজার শুরুতেই কেনাকাটা সেরে ফেলুন :
রোজার শুরুতেই কেনাকাটা সেরে ফেলার চেষ্টা করুন। কারণ ঈদ যত ঘনিয়ে আসবে
কাপড় চোপড়ের দাম তত বেড়ে যাবে। সাথে সাথে বেড়ে যাবে মানুষের ভিড়। তাই যতটা
সম্ভব আগেভাগেই ঈদের সামগ্রিক কেনাকাটা সেরে ফেলুন।
২. শপিংয়ের জন্য উপযুক্ত সময় বেছে নিন :
শপিং করাটা একটা দীর্ঘসময়জনিত ব্যাপার। আর তা যদি হয়ে থাকে ঈদের শপিং
তাহলে তো কোনো কথাই নাই। বেছে বেছে ভাল জিনিসটাই কেনা চাই। আর এর জন্য
প্রয়োজন পর্যাপ্ত সময়। তাই এমন সময় বেছে নিন যা আপনার জন্য উপযুক্ত। যেমন
ধরুন ইফতারের আগে না গিয়ে ইফতারের পরে কেনাকাটায় বের হওয়া ভালো। আবার যদি
অনেক দূরে যান তাহলে সকালে বের হওয়াটাই ভালো।
৩. ছোট বাচ্চা সাথে নেবেন না :
ভেবে দেখুন আপনি ঈদের কেনাকাটা করতে বের হচ্ছেন যা সবচেয়ে কঠিন কাজ।
ভিড়ের মধ্যে ঠেলাঠেলি করে কেনাকাটা করতে হয়। এ কারণে সাথে করে কখনই ছোট
বাচ্চা নেবেন না। তাহলে আপনার কেনাকাটা তো হবেই না সাথে বিপদে পড়বেন আপনি।
৪. সিএনজি বা প্রাইভেট কার ব্যবহার করুন :
ঈদের কেনাকাটার জন্য রাস্তাঘটে ভিড় লেগেই থাকে। তাছাড়া বাসের মধ্যে ওঠার
মত কোনো অবস্থাই থাকে না। তাই এই ভিড়ে বাসে ওঠার দুঃসাহস না করে নিজেদের
প্রাইভেট কার বা ভাড়া করা সিএনজি ব্যবহার করুন।
৫. লিস্ট করুন :
সব কাজই নিয়ম করে করলে ফলাফল ভাল হয়। তাই এই ঈদের কেনাকাটার মত বড়
কাজটিও নিয়ম করে করুন। অর্থাৎ আপনি বাসাতেই একটা লিস্ট করে ফেলুন যে আপনি
কি কি কিনবেন আর কোথা থেকে কিনবেন। জায়গাগুলো আলাদা আলাদা হলে ভিন্ন ভিন্ন
দিনে যাওয়ার প্ল্যান করুন। একই দিনে দুটি জায়গায় যাওয়ার পরিকল্পনা করবেন
না।৬. একসাথে অনেকে যাবেন না :
বাসার অনেকেই একসাথে শপিং করতে যাবেন না। কারণ ভিড়ের সময়ে সবাইকে নিয়ে
শপিং করতে পারবেন না পাশাপাশি এক্ষেত্রে আপনার শপিং এর কাজ অনেক দেরি হয়ে
যাবে।
৭. শপিং মল গুলোতে চলে যান :
নিউমার্কেট গাউছিয়াতে ঘুরে ঘুরে পর্যাপ্ত সময় নষ্ট আর কষ্ট না করে
পাশাপাশি কোনো শপিং মল থেকেই কেনাকাটা সেরে ফেলুন। এতে করে কষ্ট কম হবে এবং
খুব কম সময়েই শপিং সেরে ফেলতে পারবেন।


0 comments :